এ সময় পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দেয়। পরে সড়কে অবস্থান নেন তারা। জাতীয় যুবশক্তির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, প্রশ্নফাঁসে জনপ্রতি ২৬ লাখের বেশি টাকা নিয়েছে একটি চক্র। মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ না দিয়ে মন্ত্রী, এমপিদের কোটায় নিয়োগ চলছে।
নেতাকর্মীরা বলেন, বিএনপি দ্রুত আওয়ামী লীগ হতে যাচ্ছে। এ সময় তারা অভিযোগ তোলেন, কোটায় মন্ত্রী হয়ে আমিনু হক কোটায় নিয়োগ দিচ্ছেন। যুব সমাজের পেটে লাথি মারলে, হাসিনার মত পতন হবে বিএনপির। এক কোটি কর্মসংস্থান তৈরি করার বিপরীতে সরকার এক কোটি চাঁদাবাজ তৈরি করেছে।
প্রসঙ্গত, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে স্থগিত নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। শনিবার (১০ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ উল্লাহ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। তদন্ত প্রতিবেদন তিন কার্যদিবসের মধ্যে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
তদন্ত কমিটিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন-মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (ফিন্যান্স অ্যান্ড পারফরমেন্স ম্যানেজমেন্ট), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধি এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (সিড ফাইন্যান্সিং)। এ ছাড়া যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রশাসন অধিশাখা) কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
শনিবার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরীক্ষা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবাদে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করে চাকরি প্রার্থীরা।
